সোমবার (৪ অক্টোবর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সোমবার (৪ অক্টোবর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
খাতভিত্তিক রপ্তানি চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশই তৈরি পোশাক থেকে আসে। টানা তিন মাস ধরে তৈরি পোশাকের রপ্তানি কমলেও অর্থবছরের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। গত জুলাইয়ে ৩৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল সাড়ে ২৪ শতাংশ। পরের মাসে রপ্তানি কমে পৌনে ৫ শতাংশ। আর সেপ্টেম্বরে কমেছিল প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ। গত মাসে, অর্থাৎ অক্টোবরে রপ্তানি হয়েছে ৩০২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এই রপ্তানি গত বছরের অক্টোবরের তুলনায় ৮ শতাংশ কম।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ওপর শুল্ক বসানোর ফলে রপ্তানি কমেছে। প্রথমে যখন শুল্ক বাড়ানো হচ্ছিল, তখনই যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা বেশি বেশি তৈরি পোশাক সংগ্রহ করে রেখেছিল। সে সময় ৩৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর ঘোষণা ফলে ক্রেতারা এ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়। এর ফলে এখন তারা কম পোশাক আমদানি করে।
ইপিবির তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ১ হাজার ২৯৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ২৮১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক।
পণ্য রপ্তানিতে তৃতীয় শীর্ষ খাত কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৪৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলারের কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৭২ শতাংশ কম। শুধু গত মাসে ১০ কোটি ২২ লাখ ডলারের কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রপ্তানি কমেছে সাড়ে ৯.৫৭ শতাংশ।