শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জনগণের অধিকার বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য : ডেপুটি স্পীকার সংস্কৃতি মন্ত্রী–ইতালি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় “সংস্কৃতি হলো একটি জাতির আত্মা” : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বৈশাখ এলো রে এলো
সালমান রাজের কণ্ঠে, কথা ও সুর মিজানুর রহমান নতুন মৌলিক বৈশাখী গান
স্পীকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মঠবাড়িয়ায় সংস্কৃতি চর্চার টাকা নিয়ে প্রধান শিক্ষকের নয়ছয় নবনির্বাচিত দুইজন সংসদ-সদস্যের শপথ পাঠ করান স্পীকার মঠবাড়িয়ায প্রাইভেটকারের গতিরোধ করে ব্যবসায়ীর ওপর হামলার চেষ্টা স্পীকারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি-র সাথে কর্মসংস্থান ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের পথে, জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের পথে, জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল যুদ্ধ নিয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার মূল কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তবে একই সঙ্গে তিনি ভবিষ্যতে হামলা আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

বুধবার দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী মদতদাতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আজ আগের চেয়ে বেশি জয়ী হচ্ছে। গত চার সপ্তাহে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত ও নির্ণায়ক বিজয় অর্জন করেছে।

ইরানের নেতৃত্বের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, এই ‘ধর্মান্ধ শাসকগোষ্ঠী’ গত ৪৭ বছর ধরে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ধ্বংস কামনা করে স্লোগান দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানি নৌবাহিনী বিলীন হয়ে গেছে এবং তাদের বিমান বাহিনী এখন পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে।

ট্রাম্প জানান, ইরানের পক্ষ থেকে আসা হুমকি চিরতরে বন্ধ করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, আমরা আমেরিকা এবং বিশ্বের জন্য ইরানের অশুভ হুমকির অবসান ঘটানোর খুব কাছাকাছি রয়েছি। আমাদের লক্ষ্যগুলো খুব দ্রুতই সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

তবে লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সামরিক পদক্ষেপ চলবে বলে জানান ট্রাম্প। পরবর্তী দুই থেকে তিন সপ্তাহে আরও তীব্র হামলার সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা তাদের ওপর অত্যন্ত কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছিআমরা তাদের প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেব, যেখানে তাদের থাকা উচিত।

তিনি উল্লেখ করেন যে ‘শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন’ কখনোই তার লক্ষ্য ছিল না, তবে ইরানের নেতার মৃত্যুর পর এটি ঘটে গেছে। কোনও চুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে একযোগে ভয়াবহ হামলার হুমকিও দেন তিনি।

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। উপসাগরীয় তেল আমদানিকারক দেশগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রণালিতে যান এবং এর নিয়ন্ত্রণ নিন, এটিকে রক্ষা করুন। কিছুটা সাহস সঞ্চয় করুন।

ইসরায়েল, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মতো আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তারা দুর্দান্ত কাজ করেছে এবং আমরা কোনোভাবেই তাদের ব্যর্থ হতে দেব না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে নাগরিকদের উদ্বেগের বিষয়টিও স্বীকার করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি এই মূল্যবৃদ্ধিকে সাময়িক বলে বর্ণনা করেন এবং এর জন্য তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানি হামলাকে দায়ী করেন।

ট্রাম্প আবারও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমরা এই কাজ শেষ করতে যাচ্ছি। আমরা লক্ষ্যের খুব কাছে আছি।

সূত্র: টিআরটি

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2022 shadhindiganta.com
কারিগরি সহযোগিতায়: