শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জনগণের অধিকার বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য : ডেপুটি স্পীকার সংস্কৃতি মন্ত্রী–ইতালি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় “সংস্কৃতি হলো একটি জাতির আত্মা” : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বৈশাখ এলো রে এলো
সালমান রাজের কণ্ঠে, কথা ও সুর মিজানুর রহমান নতুন মৌলিক বৈশাখী গান
স্পীকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মঠবাড়িয়ায় সংস্কৃতি চর্চার টাকা নিয়ে প্রধান শিক্ষকের নয়ছয় নবনির্বাচিত দুইজন সংসদ-সদস্যের শপথ পাঠ করান স্পীকার মঠবাড়িয়ায প্রাইভেটকারের গতিরোধ করে ব্যবসায়ীর ওপর হামলার চেষ্টা স্পীকারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি-র সাথে কর্মসংস্থান ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত
পেঁয়াজের জ্বালায়ই আমি অস্থির হয়ে পড়েছি

পেঁয়াজের জ্বালায়ই আমি অস্থির হয়ে পড়েছি

খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও ভোগের সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী।

রোববার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বণিক বার্তা ও বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের কথা ধরেন। পেঁয়াজের জ্বালায়ই আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। পরিসংখ্যানের একটা ঝামেলা রয়েছে। আমাদের প্রয়োজন ২৪-২৫ লাখ টন পেঁয়াজ। উৎপাদনও হয় এমনই ২৫-২৬ লাখ টন। তাহলে আমদানি কেন? এমন প্রশ্ন আসে। সেক্ষেত্রে বক্তব্য হচ্ছে প্রায় ২০ শতাংশ পেঁয়াজ আমাদের নষ্ট হয়।

তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকেই আমাদের পেঁয়াজ কমতে থাকে। তখন ভারত থেকে আনতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভারতের উপর আমরা ৯০ শতাংশ নির্ভরশীল। ভারত বন্ধ করে দিলে অথবা দাম বাড়ালে এর প্রভাব বাজারে পড়ে।

কৃষিবিদদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা পেঁয়াজের এমন বীজ আনেন যাতে সেপ্টেম্বর অক্টোবরে আমরা পেঁয়াজ পাই। উৎপাদন বাড়ানো গেলে, নষ্ট কমলে আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে পেঁয়াজের বাজারে কোনো সমস্যা হবে না।

পণ্যের মজুত ও চাহিদা সম্পর্কে কৃষি মন্ত্রণালয় সঠিক তথ্য দেয় না জানিয়ে তিনি বলেন, গত বছর কৃষি মন্ত্রণালয় হিসাব দিলো ১ কোটি ৫ লাখ টনের মতো আলু উৎপাদন হবে। আর আমরা ৭০-৭৫ লাখ টন আলু খাই। তার মানে আলু সারপ্লাস থাকবে। কিন্তু গত বছরের বাজারের চিত্র কিনতু সেটা বলে না।

তিনি বলেন, গত বছর আলুর দাম ৪০ টাকায় ঠেকলো। কোল্ডস্টোরেজ থেকে বেরোতে বেরোতে আলু ৩৫-৩৬ টাকা হয়ে গেলো, আলু এক্সপোর্ট হলো না। তার মানে হিসাবে একটা গণ্ডগোল রয়েছে। হয় আলুর উৎপাদন কম হয়েছে, নয়তো আলুর চাহিদা আরও বেশি।

দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, এফএও বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রবার্ট ডি সিম্পসন এবং ইউএসএআইডি বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন স্টিভেন্স প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2022 shadhindiganta.com
কারিগরি সহযোগিতায়: