শনিবার, ০৬ Jun ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দুই পদ একসঙ্গে সামলানোর নজির রয়েছে : খ‌লিলুর রহমান বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান
পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে আইপিও প্রক্রিয়া সহজ করা হবে
৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় সরকার : তিতুমীর বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার শহীদ জিয়ার সার্কের নীতি ও বহুপক্ষীয় কূটনীতিই বর্তমান সরকারের প্রধান পথ : তথ্যমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনমুখী শাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতে কাজ করছে : স্পিকার জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণের বিকল্প নেই : আইনমন্ত্রী শিশুদের ক্রীড়ামোদী করে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে খেলাধুলা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম
আইডিইবি নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকার : প্রকৌশলী হানিফ

আইডিইবি নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকার : প্রকৌশলী হানিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী আইডিইবি (ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ) নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনার বাংলাদেশ গঠন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংগঠনটির আহ্বায়ক ও আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থী প্রকৌশলী মোঃ হানিফ। তিনি মনে করেন, এই নির্বাচন শুধুমাত্র একটি পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্ব নির্ধারণের বিষয় নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
প্রকৌশলী মোঃ হানিফ বলেন, দেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা দেশের প্রযুক্তিগত খাতের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু এত বড় একটি দক্ষ জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও অংশগ্রহণ এখনো প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।
তিনি বলেন, প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক ডিপ্লোমা প্রকৌশলী কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হচ্ছেন এবং দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি ও নির্মাণ খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—এই অবদান কি যথাযথভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে? দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আমরা কি আমাদের সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করতে পারছি?
তিনি বলেন, “আজ সময় এসেছে আত্মসমালোচনার। আমরা কি ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সমাজ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছি? আমরা কি আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিজেদের যথাযথভাবে সম্পৃক্ত করতে পেরেছি?”—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করতেই আইডিইবি নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক বেশি।
প্রকৌশলী মোঃ হানিফ উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় ৮ লাখ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী রয়েছেন, যারা একটি বিশাল কর্মক্ষম শক্তি। এই শক্তিকে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজে লাগানো যায়, তবে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ঐক্যই পারে একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের সাধারণ মানুষের অনেক মৌলিক অধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল সাম্য, ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তি। কিন্তু বাস্তবতায় এখনো সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। তাই নতুন প্রজন্মের প্রকৌশলীদের এই দায়িত্ব নিতে হবে।
আইডিইবি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নির্বাচন একটি পরিবর্তনের সুযোগ এনে দিয়েছে। এটি শুধু নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, নতুন পরিকল্পনা এবং নতুন উদ্যম নিয়ে কাজ শুরু করার একটি প্ল্যাটফর্ম। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনই হবে তাদের মূল অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতকে শক্তিশালী করতে হবে। আর এই কাজটি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া সম্ভব নয়। তাই তিনি সকল প্রকৌশলীকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
সবশেষে প্রকৌশলী মোঃ হানিফ দল-মত নির্বিশেষে সকল পেশাজীবী ও প্রকৌশলীদের একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই—একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। আর এই লক্ষ্য অর্জনে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2026 shadhindiganta.com
কারিগরি সহযোগিতায়: